বাংলাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেরা পাবে ১১ টন চাল - The News Lion

বাংলাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেরা পাবে ১১ টন চাল




বাংলাদেশ প্রতিনিধি ;  ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর সময়ে জেলেদের জন্য ১০ হাজার ৫৬৬.৮৪ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।


ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম শুরুর আগেই বাংলাদেশ সরকারের মানবিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে মোট ২২ দিনের জন্য এ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।এর আওতায় দেশের ৩৬টি জেলার ১৫২টি উপজেলায় মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা ৫ লাখ ২৮ হাজার ৩৪২টি জেলে পরিবার ২০ কেজি করে চাল পাবেন। গত মৌসুমের তুলনায় অতিরিক্ত ১ লাখ ২০ হাজার ২৬৩টি জেলে পরিবার এ খাদ্য সহায়তা পাবেন।এ নিয়ে গত ৩০ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের এ সংক্রান্ত মঞ্জুরী জ্ঞাপন করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।


ভিজিএফ চাল আগমী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে উত্তোলন ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিতরণ করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।বরাদ্দপ্রাপ্ত জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর. চাঁদপুর, কক্সবাজার, ঢাকা, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, নরসিংদী, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুর, খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা ও ঝালকাঠি।


উল্লেখ, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ অনুযায়ী এ বছর ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.